শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন

সড়কে গাড়ি বের করলেই জব্দ
স্টাফ রিপোর্টার / ৪৫৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০

Views: 1

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত ১০ দিন বন্ধের মধ্যেও অনেক মানুষ গাড়ি নিয়ে সড়কে নামছেন। এর মধ্যে যাত্রীবাহী গাড়িও আছে। এই কারণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রামের ট্রাফিক পুলিশ। ধারাবাহিকভাবে গাড়ি চালানোর সুযোগ দিলে সরকার যে উদ্দেশ্যে বন্ধ ঘোষণা করেছে, তা সফল হবে না। এই কারণে সরকারি আদেশ অমান্য করার অভিযোগে গাড়ি জব্দ করা হচ্ছে।

সরকারি আদেশ অমান্য করে সড়কে গাড়ি চালানোর অভিযোগে গাড়ি জব্দ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। তবে জরুরি প্রয়োজনে যেসব গাড়ি চলাচল করছে সেগুলোকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। খাদ্য, ওষুধ ও রোগীবাহী গাড়িগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে।

সোমবার, মঙ্গলবার এবং বুধবার তিন দিন নগরীর সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে কিছু গাড়ি যাতায়াত করছে। অনেকগুলো ব্যক্তিগত গাড়িও চলাচল করছে। রিকশার সংখ্যাও প্রচুর। আবার রাইড শেয়ার করে এমন মোটরসাইকেলও আছে।

প্রাইভেটকার চালকরা জানিয়েছেন, তারা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন। আবার অটোরিকশা ও কয়েকটি টেম্পোর চালক জানিয়েছেন, তারা পেটের দায়ে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলেন। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট তাদের গাড়ি জব্দ করেছে। এখন তারা দুর্ভোগে পড়েছেন।

গাড়ি জব্দের বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, নগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উত্তর জোন এবং বন্দর জোন আলাদাভাবে অভিযান চালাচ্ছে। এর মধ্যে দুই জোন যৌথভাবে রবিবার ১৫২টি গাড়ি, সোমবার ১০১টি এবং মঙ্গলবার ১৬৪টি গাড়ি জব্দ করা হয়। এসব গাড়ি যাত্রী পরিবহন করে সরকারি আদেশ অমান্য করেছে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

জানতে চাইলে নগর ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. তারেক আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ১০ দিনের বন্ধ ঘোষণা করেছে। এরই মধ্যে অনেকেই গাড়ি নিয়ে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে। তাই সরকারি আদেশ অমান্য করার অভিযোগে গাড়িগুলো জব্দ করা হচ্ছে। যদি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে বন্ধের মধ্যেও নগরে যানজট তৈরি হবে। তাই বাধ্য হয়ে ট্রাফিক পুলিশকে জনস্বার্থে ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update