গাজীপুরের শ্রীপুরের শিরিন আওলাদ মডেল স্কুলে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো ছাত্র-ছাত্রীদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘ক্লাস পার্টি’।
দিনভর নানা আয়োজন, গান, নাচ, কবিতা আর হাসি-আনন্দে মুখর ছিল পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ।
শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বাড়ানো ও তাদের মাঝে পারস্পরিক বন্ধুত্ব আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে এ আয়োজন করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা রঙিন পোশাকে উৎসবের আমেজে স্কুলে আসে। প্রতিটি শ্রেণীকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মতো করে সাজিয়ে তুলেন। শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মিল কেক কেটে শুরু করেন দিনের কার্যক্রম
ক্লাস পার্টিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, “সারাবছর পড়াশোনার চাপ থাকে। আজকের দিনটা ছিল আমাদের জন্য একেবারে উৎসবের মতো।”
আয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষকরাও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহিদুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও আনন্দমুখর পরিবেশ তৈরি করতে আমরা প্রতি বছর এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করি। এতে তাদের মধ্যে দলগত চেতনা আরও শক্তিশালী হয়।”
বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, গেমস ও তাৎক্ষণিক বক্তৃতা যা শিক্ষার্থীদের প্রতিভা প্রকাশে বড় ভূমিকা রাখে। শেষ অংশে সেরা শ্রেণীকক্ষ প্রদর্শনী ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে স্থানীয় ক্বাওমী মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সম্পূর্ণ আয়োজনটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় বাস্তবায়ন করে হাকিমপুর পৌর বিএনপি।
শনিবার বেলা ২টার দিকে হিলির স্থানীয় ক্বাছামিয়া ইমদাদুল উলুম ক্বাওমী মাদ্রাসায় এই স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের শুভ সূচনা ঘটে। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ক্বাছামিয়া ইমদাদুল উলুম ক্বাওমী মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা শফিকুল ইসলাম। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনার পাশাপাশি দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদদের রুহের মাগফিরাত প্রার্থনা করা হয়।
দোয়া মাহফিল শেষে হাকিমপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে মাদ্রাসায় অবস্থানরত এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসম্মত মধ্যাহ্নভোজ ও খাবার বিতরণ করা হয়। এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণের এই মানবিক উদ্যোগে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় সুধীজন অংশ নেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেনের প্রেরণা ও নির্দেশনায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রাজনৈতিক আড়ম্বর এড়িয়ে এতিম ও দুস্থদের সেবায় দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে।
উক্ত দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, হাকিমপুর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ফরিদ খান, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন। এছাড়া হাকিমপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হোসেল হোসেনসহ যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত থেকে কর্মসূচি সফল করেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর ত্যাগ এবং সমাজসেবামূলক কাজের স্মৃতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তাঁরা জানান, সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে দোয়া মোনাজাত এবং খাবার বিতরণের মাধ্যমে পুরো কর্মসূচিটি শেষ হয়।
দিনাজপুরের হিলিতে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের এই উদ্যোগ স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে। রাজনৈতিক আড়ম্বর এড়িয়ে এতিম ও দুস্থদের পাশে দাঁড়ানোর এই মানবিক ভাবধারা সমাজে সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
কক্সবাজারের টেকনাফে র্যাব-১৫-এর বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ফেনীর চার অপহরণ মামলার আসামি মিন্টু।
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে ফেনীর বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর চার অপহরণ মামলার অন্যতম এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মিন্টুকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে এলিট ফোর্স র্যাব-১৫। গতকাল শুক্রবার (১৪ আগস্ট ২০২৬) আনুমানিক বিকেল পাঁচটার দিকে টেকনাফ মডেল থানাধীন ঐতিহ্যবাহী হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া বাজার এলাকায় এক দুঃসাহসিক ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আইনশৃঙ্খলার জালে বন্দি করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল।
র্যাব-১৫ সূত্রে জানা গেছে, গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প)-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারে যে, ফেনী জেলার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর চার অপহরণ মামলার এজাহারনামীয় ৭ নম্বর আসামি কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন জাদিমুড়া বাজারে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের পর বিকেলে র্যাবের টিম স্থানটিতে ঝটিকা ও কৌশলী অভিযান চালায় এবং পলায়নের সুযোগ না দিয়ে আসামিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মিন্টু (২৫) সীমান্ত জনপদ টেকনাফ মডেল থানার হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রঙ্গীখালী (জুম্মা পাড়া) এলাকার বাসিন্দা আবুল হাশেমের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবের আভিযানিক দল জানতে পেরেছে যে, মিন্টুর বিরুদ্ধে ফেনীর অপহরণ মামলা ছাড়াও টেকনাফ মডেল থানায় জোরপূর্বক অর্থ আদায়, চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষের ওপর মারধর ও চুরিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সে এলাকার অন্যতম চিহ্নিত অপরাধী হিসেবে পরিচিত ছিল।
অভিযানের ব্যাপারে র্যাব জানায়, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চিহ্নিত অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-১৫-এর আভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি মিন্টুকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা ও আইনগত প্রক্রিয়ার স্বার্থে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সাথে ফেনীর সেই আলোচিত চার অপহরণ মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকা অপরাপর আসামিদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র্যাবের বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি এবং ধারাবাহিক তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে।
টেকনাফে র্যাবের হাতে ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি মিন্টুর গ্রেপ্তার হওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক বিরাট সাফল্য। এ ধরনের সফল ও সাহসী অভিযান সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ও বিশ্বাসের পরিবেশ বজায় রাখতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন জিএমপি কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগস্ট মাসের কল্যাণ সভা এবং অপরাধ পর্যালোচনা সভা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দফতরে এই কল্যাণ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার। কল্যাণ সভার শুরুতে কমিশনার মহোদয় পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যদের বক্তব্য গভীর মনোযোগের সাথে শ্রবণ করেন। উপস্থিত সদস্যগণ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত নানা আবেদন এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা পুলিশ কমিশনারের সম্মুখে উপস্থাপন করেন।
পুলিশ সদস্যদের বক্তব্য শোনার পর জিএমপি কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার তাদের যৌক্তিক আবেদন পূরণ ও মাঠ পর্যায়ের যাবতীয় সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। কল্যাণ সভায় প্রদত্ত দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি জিএমপিতে কর্মরত প্রতিটি পুলিশ সদস্যের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণের ব্যাপারে দৃঢ় আশ্বাস ব্যক্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ফোর্সের কল্যাণ সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি থানায় আসা এবং সেবাপ্রত্যাশী সাধারণ জনগণ যাতে কাঙ্ক্ষিত আইনি সেবা নির্বিঘ্নে পেতে পারেন, সে ব্যাপারে সকল পুলিশ সদস্যকে একযোগে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। এছাড়া উক্ত সভার শেষ পর্যায়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে অবসরজনিত বিদায় গ্রহণকারী চারজন পুলিশ সদস্যকে বিশেষ সম্মাননা ও বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে দুপুর ১২টায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দফতরের কনফারেন্স রুমে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্বকালে পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার গাজীপুর মহানগর এলাকার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের উদাত্ত আহ্বান জানান। জিএমপির বিভিন্ন থানা ও ইউনিটে পেন্ডিং থাকা বা অনুদ্ঘাটিত গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলো দ্রুত উদ্ঘাটন করে রহস্য উন্মোচনপূর্বক নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেন তিনি। একই সাথে আদালতের ওয়ারেন্ট তামিল প্রক্রিয়ায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে যানজট মুক্ত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভায় পেশাগত দায়িত্ব পালনে অনন্য দক্ষতা ও সফলতা অর্জনকারী পুলিশ সদস্যদের মাঝে বিশেষ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
উক্ত কল্যাণ সভা এবং অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এবং বিভিন্ন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারবৃন্দ। এছাড়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতাধীন সকল ইউনিটের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ স্বশরীরে উপস্থিত থেকে সভার আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এই নিয়মিত কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা পুলিশ ফোর্সের অভ্যন্তরীণ কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি এবং নগরীর আইনশৃঙ্খলা জোরদারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জিএমপি কমিশনারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা অনুযায়ী অনাকাঙ্ক্ষিত অপরাধ দমন, ওয়ারেন্ট তামিল এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধিত হলে গাজীপুর মহানগরীর নাগরিক জীবন আরও সুরক্ষিত ও স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করা যায়।