অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক,উখিয়া, কক্সবাজার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণ
২৯০

‎সম্প্রতি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘UNTV’-তে “পালংখালীতে চেয়ারম্যান-মেম্বার মিলেমিশে নয়ছয় করলেন মাদ্রাসার ‘৩ লাখ টাকার প্রকল্প’, নামফলক দেওয়ার পর জানল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
‎
‎উক্ত সংবাদে পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল হকের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ ও নয়ছয়ের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তবতাবিবর্জিত।
‎
‎মূলত পালংখালী খাতিজাতুল কোবরা বালিকা মাদ্রাসার নিজস্ব কোনো মাঠ বা পর্যাপ্ত খালি জায়গা নেই। তাই মাদ্রাসার ছাত্রীদের যাতায়াত, সমাবেশ এবং মাদ্রাসাসংলগ্ন পালংখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জানাজার মাঠ ও যাতায়াতের রাস্তা প্রশস্ত করার সুবিধার্থেই এই প্রকল্পটির (কাবিটা) মাধ্যমে মাটি ভরাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন, মসজিদের জানাজার মাঠ প্রস্তুত এবং মাদ্রাসার সার্বিক মঙ্গল বিবেচনা করেই নিয়মমাফিক এই প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
‎
‎দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা এবং সরকারি নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে মেনে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা ‘লুটপাট’ হয়নি। তড়িঘড়ি করে কিংবা অন্য কোনো প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর দাবিটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, অসত্য এবং স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ।
‎
‎সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সেখানে স্বচ্ছতার স্বার্থে দৃশ্যমান স্থানে নামফলক বা সাইনবোর্ড স্থাপন করা বাধ্যতামূলক। নামফলকটি লুকিয়ে বা কর্তৃপক্ষের অজান্তে দেওয়া হয়নি, বরং প্রকল্প সমাপ্তির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে তা লাগানো হয়েছে। তবে অসাবধানতাবশত সাইনবোর্ডের লেখায় “মাদ্রাসা সংলগ্ন” শব্দটির জায়গায় ভুলবশত “মাদ্রাসা মাঠ” কথাটি লিপিবদ্ধ হয়েছে, যা একটি অনিচ্ছাকৃত টাইপিং ভুল মাত্র। মূলত এটি মাদ্রাসার নিজস্ব মাঠ নয়, বরং সংলগ্ন জামে মসজিদের জানাজার মাঠ ও রাস্তা তৈরির প্রকল্প।
‎
‎ইউপি সদস্য নুরুল হক বলেনঃ “আমরা সব সময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী। সরকারি প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেই পালংখালীতে উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হচ্ছে। একটি মহলের উসকানিতে প্রকৃত উন্নয়নকে আড়াল করতে এবং জনপ্রতিনিধিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।”
‎
‎চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন:”প্রকল্পটি সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে মেম্বারের তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কাজের বিপরীতে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সাইনবোর্ডে লেখার ভুলের কারণে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হলেও মূলত এই প্রকল্পটির মাধ্যমে পালংখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জানাজার মাঠ ভরাট ও রাস্তা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে, যা মাদ্রাসা ও স্থানীয় জনসাধারণের যাতায়াত সহজ করেছে। এখানে কোনো নয়ছয় হয়নি।”
‎
‎আমরা উক্ত মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে সংশ্লিষ্ট পোর্টাল কর্তৃপক্ষকে অতিসত্বর এই বিভ্রান্তিকর সংবাদটি প্রত্যাহার বা যথাযথ সংশোধন করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
‎
‎কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ উখিয়া, কক্সবাজার।

Download Photocard

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...