জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাই কমিশন (ইউএনএইচসিআর) এর অর্থায়নে এই বৃহৎ আকারের করোনা আইসোলেশন হাসপাতালটি নির্মিত হচ্ছে। হাসপাতালটি নির্মাণের জন্য জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছেন।
নির্মাণাধীন আইসোলেশন হাসপাতালে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরনার্থীরাও চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত হাসপাতালটির সকল চিকিৎসক, নার্স সহ স্বাস্থ্য কর্মী, এ্যাম্বুলেন্স সহ মাসিক সকল ব্যয়ভার ইউএনএইচসিআর কর্তৃপক্ষ বহন করবেন। এ হাসপাতালে আপাতত শুধুমাত্র করোনা ভাইরাস রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।
সুত্র মতে, চলতি এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখের মধ্যে হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে ৩০ এপ্রিল হাসপাতালটি চালু করার টার্গেট রাখা হয়েছে। তবে আরো দ্রুততম সময়ে নির্মাণকাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের ঐকান্তিক আগ্রহ ও প্রচেষ্টায় ইউএনএইচসিআর এ করোনা আইসোলেশন হাসপাতালটি নির্মাণ করছে বলে বিশ্বস্ত সুত্র জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, এই আইসোলেশন হাসপাতালটি পুরোপুরি নির্মিত হলে এটি হবে কক্সবাজারের প্রথম পরিপূর্ণ একটি করোনা ভাইরাস আইসোলেন হাসপাতাল৷