Views: 0
মোঃ বিপ্লব হোসেন, কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি
কালিয়াকৈর উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার জহিরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী দেওয়া করোনার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সচ্ছল লোকদের মাঝে ও খাদ্য সামগ্রী বিক্রির অভিযোগে গত ৩/০৫/২০২০ইং তারিখে কালিয়াকৈর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। পরে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার নিদের্শে গত ৫তারিখে উপজেলা সমবায় কর্মতকর্তাকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এলাকাবাসীবাসী ও উপজেলা তথ্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রীর করোনার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সচ্ছল লোকদের মাঝে বিতরণ ও বিক্রির অভিযোগে গত ০৫ তারিখে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। সারাদেশে যখন করোনার ভাইরাসে মানুষ যখন না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে সেই মূর্হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গরীর অসহাদের জন্য প্রতিটি জেলার উপজেলায় করোনার খাদ্য সামগ্রী পাঠিয়েছেন। তারি ধারাবাহিকতায় উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম নিজ লোকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। পরে উপজেলার কর্মকর্তার নিদের্শে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য,গত কয়েকদিন আগে উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে করোনার ত্রাণসামগ্রী হতদ্ররিদ্রদের মধ্যে বিতরণ না করে তার পরিচিত সচ্ছল লোকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। চাল,ডাল আলু সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করার প্রমানও মিলেছে তার বিরোদ্ধে। আবার ভিজিএফ,ভিজিডি, ওমমএস কার্ডধারীদের মধ্যে সরকারের দেওয়া ত্রাণ বিতরণ নিষেধ থাকলেও তিনি ওএমএস কার্ডধারী মো.শাহজাহান মিয়া,গিয়াস উদ্দিন,আছিরন বেগম,জয়তুন বেগমের মধ্যে ত্রাণ দিয়েছেন। তারা প্রতি মাসেই ১০টাকা কেজি মূল্যে ৩০কেজি চাল ডিলারের কাছ থেকে উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীদের।
কালিয়াকৈর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কাজী হাফিজুল আমিন জানান, গত ৫তারিখে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে তার বিরোদ্ধে ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে।