মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে ধলেশ্বরী ও কালিগঙ্গা নদীর, মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটায়। উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের পালপাড়ার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া, ধলেশ্বরী ও পার্শ্ববর্তী ইসলামপুর এলাকার, কালিগঙ্গা নদী থেকে মাটি বিক্রি করায়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল।
আটিপাড়া এলাকার সিরাজ, ও ইসলামপুর এলাকার সুমন মাটি বিক্রির সাথে সরাসরি জড়িত। তবে এই মাটি বিক্রির টাকার ভাগ পাচ্ছে স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক নেতারা।
জানা গেছে, উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের পালপাড়া মৌজার ধলেশ্বরী নদী এবং ইসলামপুর এলাকার কালিগঙ্গা নদীতে খননযন্ত্র (ভেকু) দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে তোলা হচ্ছে। ট্রাক ভর্তি মাটি বিক্রি করা হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায় ও ব্যক্তি মালিকানা জমি ভরাটের কাজে। এতে নদীর গতি পরিবর্তন ও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারি এসব মাটি বিক্রি সাথে রাজনৈতিক নেতারা জড়িত থাকায় প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তবে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। বিক্রি করা প্রতি ট্রাক মাটির একটি অংশ যায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পকেটে।
স্থানীয় তারিকুর রহমান আলাল বলেন, সরকারি নদীর থেকে মাটি কাটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। যে সকল রাজনৈতিক নেতারা এসব মাটি ব্যবসায়িদের সেল্টার দেয় তারা দলকে বিপদে ফেলছে। দ্রুত এদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।
ইসলামপুরের কামাল হোসেন বলেন, সুমন, রায়হানরা নদীর মাটি কেটে বিক্রী করছে পাশে আমর জমি রয়েছে। সে জমি যে কোন সময় ভেঙে পরবে। আমি ইউনিয়ন ভুমি অফিস ও উপজেলা ভুমি অফিসে একাধিকবার অভিযোগ করেছি। কিন্তু কোন পরিকার পাইনিাই।
অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরাতো ইটভাটায় মাটি দেয়না, নিজেদের জায়গা ভরাট করছি। আমাদের ক্রয়কৃত জমি থেকে মাটি কাটছি। সরকারি নদী থেকে মাটি কাটি না।
ইসলামপুরের সুমন বলেন, এটা আমাদের জমি আমরা মাটি কাটবো তাতে সমস্যা কি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহাগ বলেন, ধলেশ্বরী ও কালিগঙ্গা নদী থেকে মাটি কাটার খবর পেলেই আমরা অভিযান চালাই। মাটি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।