Views: 0
স্ব-ঘোষিত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বান্দরবানের রুমা উপজেলা বিএনপির ইদ্রিচ মিয়া। রুমা উপজেলায় আবারো নতুন করে আওয়ামী লীগ পূর্ন-বাসনের পায়তারা করে দলীয় সংগঠন বিরুদ্ধে তলে তলে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বলে অভিযোগ দলিও নেতা-কর্মীদের। দলের ভিতরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কিছু নেতা কর্মী বলেন, সেচ্ছায় অত্র উপজেলায় বিএনপি সাংগঠনিক কাঠামো পিছিয়ে রাখার জন্য দলের ভিতর ও বাইরে জনগনের সাথে অসৎ আচরণ এবং জুলম করে ইজারার টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।
ইতি মধ্যে রুমার মুসলিম ঐক্য পরিষদ নামে একটি সামাজিক সংগঠন কে ৫ আগষ্ট এর পর বিএনপির দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনে জোর পূর্বক পদ-পদবী দাবি করেন যেটা সম্পুর্ন অসাংবিধানিক। এতে সকল মুসলিম ঐক্য পরিষদের সদস্যরা ও মুসলিম সম্প্রদায় তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানালে সংগঠনটিকে বানচাল করে দেন এ স্ব-ঘোষিত বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিচ মিয়। এতে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
৫ আগষ্ট পর সর্বসম্মতিতে রুমায় বাজার পরিচালনা কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় উক্ত নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচন করে হাতেগোনা কয়েকটি মাত্র ভোট পেয়ে খলিলুর রহমান এর কাছে বিশাল ভোটে হেড়ে যান তিনি।
বিগত স্থানীয় নির্বাচনে ২নং রুমা ইউনিয়ন পরিষদে ১নং ওয়ার্ড মেম্বার হিসেবে তিন তিনবার নির্বাচন করার পরও একটি বারও জয়লাভ করতে পারেননি তিনি। অথচ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাদের সাথে আপোশ করে ২নং রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার স্বপ্ন বুনছেন তিনি।

এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ীদের সাথে সিন্ডিকেট করে মহা ষড়যন্ত্র লিপ্ত। উন্নয়নমূলক-কার্যক্রম আওয়ামী লীগের সাথে ভাগ বাটোয়ারা করে সুন্দর দিন কাটাচ্ছেন। অপর দিকে রুমার ২ ভাগে বিভক্ত বিএনপি দল কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ও দলীয় প্রভাব বিস্তার করে যা খুশি তা করে যাচ্ছেন তিনি। এই বিষয় উক্ত এলাকা বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে দফায় দফায় কখনো গোপনে কখনো প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি দিলিপ দাশ সহ ওনার দোকানে মিটিং করেছেন সহ-সভাপতি, শুদির দাশ। উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি হরিলাল চক্রবর্তি। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি, মো:দস্তগীর, জামাতের নায়েবের আমির, মো: খলিলুর রহমান ও উপজেলা বিএনপি স্ব-ঘোষিত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো: ইদ্রিচ মিয়া। এসব কার্যকলাপে অ-সন্তুষ্ট ও ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলা বিএনপি। জেলা বিএনপির আহাবায়ক ও সদস্য সচিবকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি করছেন স্থানীয় বিএনপির নেতা কর্মীরা।
উক্ত বিষয় এ মুঠোফোন বিস্তারিত জানাতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগের সাথে ব্যবসা করতেও পাড়বো না আপনি এই সমস্ত বাজে আলাপ করতে পারেন না আমার সাথে। আমার বিষয় এ কিছু জানতে চাইলে রুমাতে এসে জেনে নিন। আপনার সাথে বাজে আলাপ করার মত সময় আমার নেই বলে ফোন কল কেটে দেয়।
