বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তে মাদক সম্রাট নাসির বাহিনী কর্তৃক গ্রামপুলিশকে মারধরের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
/ ৬৫৩
বার দেখা হয়েছে
আপডেট
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০
শেয়ার
Views: 4
বিশেষ প্রতিনিধি :
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সিমান্তে’র পুটখালি ইউনিয়ন এর পুটখালী গ্রামে একাধিক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা ভূক্তভোগীরা।
বরং পুনঃ হামলা আতঙ্কে রয়েছে গ্রামবাসী আহতরা, এমনকি ভয়ে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারছেনা তারা। পুটখালী গ্রাম সহ পাশ্ববর্তী গ্রামবাসীর ত্রাস সন্ত্রাসী নাসির বাহিনী এতটায় বে-পরোয়া হয়ে ওঠেছে যে, প্রশাসনের কাছে হামলা কান্ডের অভিযোগ জানাতে পারছেনা ভূক্তভোগীরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ইন্ধনে সন্ত্রাসী নাসির বাহিনী এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করেও প্রশাসনের হাত হতে সহজেই রক্ষা পাচ্ছে।
বর্তমানে ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটলেও এলাকায় নেই পুলিশী তৎপরতা। থানায় অভিযোগ দিলেও সন্ত্রাসীরা এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। পুটখালী গ্রামের বাসিন্দা মৃত রবিউল ইসলামের পুত্র ভূক্তভোগী মোঃ শরিফুল(৩৮)নামের গ্রাম পুলিশ সংবাদিকদের জানান, গত ২৩ এপ্রিল বৃহষ্পতিবার বিকালে সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুটখালি বাজার এলাকায় সামাজিক দুরুত্ব নিশ্চিতে বাজার পাহারার দ্বায়িত্ব পালন করছিলো।
এ সময় এলাকার এক যুবকের সহিত ঘরে থাকার বিষয়ে কথা বলায় বিবাদে জড়ান তিনি। কিছুক্ষন পর ৮/৯ জন দলবদ্ধ হয়ে এসে খাটাল নাসিরের লোকের গায়ে হাত তুললি কেন বলেই আমাকে বেধড়ক মারধর করে চলে যায়। তাৎক্ষনিক বিষয়টি আমি চেয়ারম্যান হাদিউজ্জামান ও শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাই। চেয়ারম্যন বিষয়টি দেখবে বলে বিচার না করায় আমি গ্রাম পুলিশ বাহিনীর শার্শা উপজেলার সভাপতি আব্দুর রহিম কে আবগত করি।
তিনি আমাকে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে বলেলে, সে অনুযায়ী আমি বেনাপোল পোর্ট থানায় গিয়ে পুটখালি গ্রামের শুকুর আলীর পুত্র আরিফ হোসেন, মৃত সিদ্দিকের পুত্র হাফিজুর রহমান ও জবেদ আলী মুন্সির পুত্র সাহেব আলীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করি। শার্শা উপজেলার গ্রাম পুলিশ সভাপতি আব্দুর রহিম সাংবাদিকদের জানান, ফোনে শরিফুল মারধরের ঘটনা আমাকে জানালে আমি তাকে থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি।
অভিযোগ তদন্তের দ্বায়িত্ব পাওয়া বেনাপোল পোর্ট থানার সাব ইন্সেপেক্টর জাকির হোসেন গ্রাম পুলিশের থানায় অভিযোগ করার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে জানান, নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত শেষে রিপোর্ট কোর্টে প্রেরন করা হবে। সেখান হতে আদেশ আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্যঃ একই দিন সকালে পুটখালী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতা জোদ্দু ও তার মার উপর মাদক সম্রাট নাসির বাহিনীর সন্ত্রাসীরা ত্রাণ এর সিলিপ বিতরণ করা নিয়ে হামলা চালিয়ে একই পরিবারের ১০জন কে আহত করেন। যার মধ্যে ২জন গুরুতর জখম হওয়া স্বত্তেও প্রাণ ভয়ে গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছেই চিকিৎসা নিয়ে ব্যথা যন্ত্রণা নিয়ে দিন পার করছেন।
সন্ত্রাসী নাসির বাহিনী এখন শুধুই পুটখালী জনপদের বাসিন্দাদের কাছে এক আতঙ্কের কিছুদিন বাগআঁচড়া প্রেসক্লাবের কয়েকজন নিউজ কভার এ গেলে তাদেরকে আটক রেখে নানা রকম ভাবে টর্চারিং করেন। মাদক সম্রাট নাসিরের কথা হলো যে পুটখালী গ্রামে কেন? সাংবাদিক আসবেন? বর্তমানে পুটখালী ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যানের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।