শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

ব্রিটেনে দ্রুত মহামারি থামানো সম্ভব, দুই পরামর্শ বিশেষজ্ঞের
স্টাফ রিপোর্টার / ৪২৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০

Views: 1

ব্রিটেনে করোনাভাইরাসের বিস্তৃতি দ্রুত এবং তাৎক্ষণিক বন্ধ করা সম্ভব বলে মনেকরেন দেশটির একজন প্রবীণ অধ্যাপক। তিনি বলেন, ‘ব্রিটেনের সেই সক্ষমতা রয়েছে। এ জন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে প্রতিটি পরিবারে সপ্তাহে একবার করে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা।’
ইতালি, স্পেনের মতো যুক্তরাজ্যেও করোনাভাইরাস দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে, এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে দেশটির সরকার। যুক্তরাজ্যের হেলথ সেক্রেটারি ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, প্রতিদিন ১ লাখ লোকের পরীক্ষা করা হবে, এটি এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত চলবে। কিন্তু লন্ডন স্কুল অব হাইজেনের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জুলিয়ান পেটো জোর দিয়ে বলেন, সরকারের পক্ষে সম্ভব প্রতিদিন ১ কোটি লোকের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। যদি যুক্তরাজ্যের সব ল্যাব এ কাজে ব্যবহার করা হয় তবে এটি সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘যদি আপনি দেশের প্রতিটি নাগরিককে সপ্তাহে অন্তত একবার করোনাভাইরাস পরীক্ষা করেন তাহলে তাৎক্ষণিকভাবেই এ মহামারি রোধ করা সম্ভব হবে। আমাদের সব শক্তি কাজে লাগালে এটি সম্ভব হবে। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

অভিজ্ঞ এ অধ্যাপক বলেন, ‘এ মূহুর্তে যে পরিমাণ পরীক্ষা হচ্ছে তার থেকে ১ হাজার গুণ বাড়াতে হবে। কিন্তু সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে ১০০ গুণ বাড়ানো। আমাদের প্রতিদিন ১ কোটি পরীক্ষা করতে হবে। আর এটা সম্ভব যদি ব্রিটেনের সব ল্যাবে থাকা সব মেশিন ব্যবহার করতে পারি। আমি যাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি তারা প্রত্যেকেই একমত হয়েছে যে এতে কাজ হবে। যদি আমরা প্রতিটি নাগরিকের করোনাভাইরাস পরীক্ষা প্রতি সপ্তাহে একবার করতে পারি তবে ভয়াবহ দূর্যোগ থেকে দেশ বেঁচে যাবে। হাজার হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচবে।’

তার দ্বিতীয় পরামর্শ হচ্ছে ভাইরাসটি চিহ্নিত করতে প্রতিটি নাগরিকের এন্টিজেন পরীক্ষা। যদি প্রতিটি পরিবারের এ পরীক্ষা প্রতি সপ্তাহে করা যায় তাহলে যাদের মধ্যে পাওয়া যাবে তাদের কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে দিতে হবে তিন থেকে চার সপ্তাহের জন্য। বাকীরা তাদের ব্যবসা বাণিজ্যে যেতে পারবে। তিনি বলেন, ‘এ পরীক্ষাও প্রতিদিন এক কোটি লোকের করা সম্ভব। এ জন্য যা প্রয়োজন তা হচ্ছে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব, বাণিজ্যিক ল্যাব এবং ব্রিটেনের সবগুলো ল্যাবকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আছে, সেগুলো চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় লোকবলও আছে।’
সূত্র: মেট্রো

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update