সাজেক ভ্যালি মেঘের রাজ্য Sajak Valley is a kingdom of clouds Travel guide
স্টাফ রিপোর্টার
/ ৬৬২
বার দেখা হয়েছে
আপডেট
শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২
শেয়ার
Views: 11
কমন কিছু প্রশ্ন-উত্তর
ভ্রমণ প্ল্যান
ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি হয়ে সাজেক
ঢাকা থেকে দিঘীনালা হয়ে সাজেক
পরিবহন ভাড়ার তথ্য
ঢাকা থেকে বাস ভাড়া
জীপ/চাঁদের গাড়ি ভাড়া ও পরামর্শ
সিএনজি ভাড়া ও পরামর্শ
বাইক ভাড়া ও পরামর্শ
রিসোর্টের তথ্য
রিসোর্ট বুকিং সংক্রান্ত পরামর্শ
খাবার ব্যবস্থা
সাজেকে দেখার যা যা আছে
খাগড়াছড়িতে দেখার যা যা আছে
দিঘীনালায় দেখার যা যা আছে
ভ্রমণ সম্পর্কিত বিভিন্ন পরামর্শ
কমন কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
সাজেক ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন। আয়তনের দিক থেকে সাজেক চট্টগ্রাম বিভাগের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। খাগড়াছড়ি সদর থেকে সাজেকের দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। দীঘিনালা থেকে ৪৯ কিলোমিটার। বাঘাইহাট থেকে ৩৪ কিলোমিটার। সাজেকের অবস্থান রাঙ্গামাটি জেলায় হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা খাগড়াছড়ি দিয়ে ভালো। রাঙ্গামাটি থেকে পানি পথে ট্রলার/লঞ্চে আসতে হয়।
সাজেক ভ্রমণের সেরা সময়?
বর্ষার পর শীতের আগে শরৎ-হেমন্ত (আগস্ট-নভেম্বর) সাজেক ভ্রমণের জন্য সেরা সময়। তখন প্রচুর মেঘ পাওয়া যায়। এছাড়া সারাবছরই সাজেক ভ্রমণ করা যায়।
সাজেকের সেনাবাহিনীর এসকোর্ট কখন শুরু হয়?
দিঘীনালা থেকে সকাল ১০ টা এবং বিকাল ৩ টায় এসকোর্ট শুরু হয়। সাজেক থেকেও একইভাবে সকাল ১০টা এবং বিকাল ৩টায় এসকোর্ট শুরু হয়। এসকোর্ট ছাড়া একা সাজেক যাওয়া যায় না। মনে রাখবেন, বিকালের এসকোর্ট মিস হলে সেদিন আর সাজেক যেতে পারবেন না।
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাওয়ার লোকাল কোন ট্রান্সপোর্ট আছে?
না। খাগড়াছড়ি থেকে জীপ/সিএনজি/বাইক রিজার্ভ করে সাজেক যেতে হবে। ২-৬ জনের গ্রুপ হলে অন্য কোন গ্রুপের সাথে মিলে জীপ রিজার্ভ নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
সাজেকে নিজস্ব গাড়ি বা বাইক নিয়ে যাওয়া যায়? নিরাপদ?
যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ী রাস্তায় গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা না থাকলে নিজস্ব গাড়ি নিয়ে না যাওয়াই উত্তম। বাইকে যাওয়া যায় যদি নিজের চালানোর উপর ভরসা থাকে। মনে রাখবেন, খাগড়াছড়ির পর আর কোন ফিলিং স্টেশন নেই।
সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ প্ল্যান
সাজেক এবং খাগড়াছড়ি কয়েকভাবে ভ্রমণ করা যায়।
প্ল্যান-১
ঢাকা থেকে রাতের বাসে খাগড়াছড়ি।
খাগড়াছড়িতে থেকে জীপ ভাড়া করে সকালের এসকোর্টে সাজেক।
সাজেকে যতদিন ইচ্ছা থেকে সকালের এসকোর্টে খাগড়াছড়ি।
খাগড়াছড়িতে সব পর্যটন স্পট ঘুরে রাতের বাসে ঢাকা।
প্ল্যান-২
ঢাকা থেকে রাতের বাসে খাগড়াছড়ি।
খাগড়াছড়িতে জীপ ভাড়া করে খাগড়াছড়ির সব পর্যটন স্পট দেখে বিকালের এসকোর্টে সাজেক।
সাজেক যতদিন ইচ্ছা থেকে সকাল বা বিকালের এসকোর্টে খাগড়াছড়ি এসে বাসে ঢাকা।
প্ল্যান-৩
ঢাকা থেকে রাতের বাসে খাগড়াছড়ি বা দিঘীনালা।
দিঘীনালা থেকে জীপ ভাড়া করে সাজেক।
সাজেক যতদিন ইচ্ছা থেকে খাগড়াছড়ি বা দিঘীনালা এসে বাসে করে ঢাকা।
এই প্ল্যানে শুধু সাজেক দেখা হবে খাগড়াছড়ির কোন পর্যটন স্পট দেখা যাবে না।
ঢাকা হতে খাগড়াছড়ি বা দিঘীনালার বাস
ঢাকা থেকে শান্তি, শ্যামলী, হানিফ ও অন্যান্য পরিবহনের বাস খাগড়াছড়ি যায়। এছাড়া শান্তি পরিবহন সরাসরি দিঘীনালা যায়। সেন্টমার্টিন পরিবহন, বিআরটিসি, রিলাক্সের এসি বাস খাগড়াছড়ি যায়।
জীপ মালিক সমিতি, যোগাযোগ – ০১৬৪১-৬৪৪২৪৪, ০৩৭১-৬১২৮৩
জীপ ভাড়া সংক্রান্ত পরামর্শ
খাগড়াছড়িতে জীপের কাউন্টার আছে সেখানে জীপ পাবেন এবং ভাড়া নির্ধারন করা। যদি আপনি দুই রাতের বেশি থাকতে চান সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত কত দিতে হবে তা আগেই জেনে নিবেন।
জীপে ১০-১৩ জন উঠা যায়।
এমনিতে সাজেকে যাওয়ার জীপ খাগড়াছড়ি/দিঘীনালাতে গিয়েই পাওয়া যায়। তবে ছুটির দিনে গেলে অনেক ভীড় থাকে তখন পাওয়া নাও যেতে পারে বা পেলেও ভাড়া বেশি চাইতে পারে। তাই আগে থেকে ঠিক করে যাওয়াই ভালো।
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যেতে সময় লাগে ৩ ঘন্টার মত আর দিঘীনালা থেকে ২.৩০ ঘন্টা।
ছোট গ্রুপ হলে জীপ কাউন্টারে গিয়ে অন্য গ্রুপের সাথে মিলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। এতে পুরো জীপ রিজার্ভ করার খরচ বেঁচে যাবে।
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাওয়া আসার সিএনজি ভাড়ার তালিকা
স্থান সমূহ
প্রকৃত ভাড়া
মন্তব্য
খাগড়াছড়ি হতে সাজেক
২১০০ টাকা
শুধু যাওয়া
খাগড়াছড়ি হতে সাজেক
৩০০০ টাকা
দিনে দিনে আসা-যাওয়া
খাগড়াছড়ি হতে সাজেক
৩৯০০ টাকা
সাজেকে ১ রাত থাকা
খাগড়াছড়ি হতে সাজেক
৪৯০০ টাকা
সাজেকে ১ রাত থাকা
(খাগড়াছড়ির আলুটিলা গুহা,
রিসাং ঝর্ণা ও ঝুলন্ত ব্রিজ দর্শন)
খাগড়াছড়ি হতে সাজেক
৪৯০০ টাকা
সাজেকে ২ রাত থাকা
খাগড়াছড়ি হতে সাজেক
৫৯০০ টাকা
সাজেকে ২ রাত থাকা
(খাগড়াছড়ির আলুটিলা গুহা,
রিসাং ঝর্ণা ও ঝুলন্ত ব্রিজ দর্শন)
শ্রমযান কল্যান সমিতি(সিএনজি), যোগাযোগ – ০১৮৪১-০৪৮২০০, ০১৮৪১-০৪৮২১১
সিএনজি ভাড়া সংক্রান্ত পরামর্শ
যদি আপনি দুই রাতের বেশি থাকতে চান সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত কত দিতে হবে তা আগেই জেনে নিবেন।
সিএনজিতে ৪ জন উঠা যায়। সামনে ১জন, পিছনে ৩জন।
ব্যক্তিগতভাবে আমি সিএনজিতে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি না। এক্ষেত্রে অন্য গ্রুপের সাথে মিলে জীপে যেতে পারেন। খাগড়াছড়ির জীপ কাউন্টারে গেলে শেয়ার করার মত জীপ পেয়ে যেতে পারেন।
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক বাইক ভাড়া
একা/দুইজন হলে বাইকে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে খাগড়াছড়ি থেকে না উঠে দিঘীনালা থেকে উঠা ভালো। বাইকে দিঘীনালা থেকে সাজেক ১২০০-১৫০০ টাকা পড়বে। (এক বাইকে দুইজন উঠতে পারবেন)
হোটেল ও রিসোর্ট
সাজেকে থাকার অনেক রিসোর্ট রয়েছে। রিসোর্ট থেকে ভালো ভিউ পাওয়া যাবে এমন কিছু ভালো মানের রিসোর্টের তালিকা নিচে করে দিলাম।
রিসোর্টের তালিকা
মেঘমাচাং
ভাড়াঃ
ব্যাম্বু কটেজ – ৩৫০০ টাকা (বন্ধের দিন ব্যাতিত অন্যান্য দিন)
ব্যাম্বু কটেজ – ৪০০০ টাকা (বন্ধের দিনে)
উডেন কটেজ – ৪০০০ টাকা (বন্ধের দিন ব্যাতিত অন্যান্য দিন)
উডেন কটেজ – ৪৫০০ টাকা(বন্ধের দিনে)
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
মেঘপুঞ্জি
৪টি কটেজ রয়েছে
তারাশা – ৪৫০০ টাকা
পূর্বাশা – ৪০০০ টাকা
রোদেলা – ৪০০০ টাকা
মেঘলা – ৪০০০ টাকা
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
জুমঘর ইকো রিসোর্ট
ভাড়াঃ ৪০০০ টাকা
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
অবকাশ
ভাড়াঃ
নিচতলা – ২৫০০ টাকা
দোতলা – ৩০০০ টাকা
তিনতলা – ৩০০০ টাকা
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
সাম্পারি
ভাড়াঃ
কাপল রুম – ২৫০০ টাকা
কাপল কটেজ – ৩৫০০ টাকা
২ বেডের রুম – ৩৫০০ টাকা
৩ বেডের রুম – ৪০০০ টাকা
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
চাঁদের বাড়ি
ভাড়াঃ
প্রিমিয়াম কটেজ – ৪০০০ টাকা (ছুটির দিনে)
প্রিমিয়াম কটেজ – ৩৫০০০ টাকা (ছুটির দিন ছাড়া)
ইকোনমি কটেজ – ৩৫০০ টাকা (ছুটির দিনে)
ইকোনমি কটেজ – ৩০০০ টাকা (ছুটির দিন ছাড়া)
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
সারা নীলকুটির
ভাড়াঃ
মেঘমায়া (নিচতলা) – ৫০০০ টাকা
নীলাম্বরি (নিচতলা) – ৫০০০ টাকা
চন্দ্রিমা (দোতলা) – ৫০০০ টাকা
মেহেরাজ (দোতলা) – ৫০০০ টাকা
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
সুমুইইকো কটেজ
ভাড়াঃ ৪০০০ টাকা
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
আদ্রিকা ইকো কটেজ
ভাড়াঃ
ছুটির দিন – ৪০০০ টাকা
ছুটির দিন ছাড়া – ৩৫০০ টাকা
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
লক্ষন কটেজ সালকা
ভাড়া
এক্সক্লুসিভ রুমঃ ৪০০০ টাকা
রেগুলার (ডাবল বেড) রুমঃ ৩৫০০ টাকা
রেগুলার (ডাবল বেড) রুমঃ ২৫০০ টাকা (ছুটির দিন ছাড়া)
লোকেশনঃ ভারতের সাইডে
ছায়ানীড়
ভাড়া
প্রিমিয়াম রুম – ৩৫০০ টাকা
স্ট্যান্ডার্ড রুম – ৩০০০ টাকা
লোকেশনঃ বাংলাদেশের সাইডে
ম্যাডভেঞ্চার
ভাড়া
কাপল প্রিমিয়াম রুম – ৪০০০ টাকা
কাপল ক্লাসিক রুম – ৩৫০০ টাকা
ডাবল ক্লাসিক রুম – ৩৫০০ টাকা
আর্মিদের দুইটি রিসোর্ট আছে
i)সাজেক রিসোর্ট
সাজেক রিসোর্টের দ্বিতীয় তলায় চারটি কক্ষ আছে। ভি আই পি কক্ষ ১৫,০০০ টাকা। অন্যটি ১২,০০০ টাকা। অপর দুইটি ১০,০০০ টাকা করে প্রতিটি। খাবারের ব্যবস্থা আছে। যোগাযোগ : খাগড়াছড়ি সেনানিবাসের গিরি থেবার মাধ্যমে বুকিং দিতে হবে। যার নম্বর : ০১৮৫৯০২৫৬৯৪। আরেকটি নম্বর : ০১৮৪৭০৭০৩৯৫।
ii)রুন্ময় রিসোর্ট
রুন্ময়ের নীচ তলায় তিনটি কক্ষ আছে। প্রতিটির ভাড়া ৪৪৫০ টাকা। প্রতিটি কক্ষে ২ জন থাকতে পারবেন। ৬০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন। উপরের তলায় দুইটি কক্ষ আছে ভাড়া ৪৯৫০ টাকা। প্রতিটি কক্ষে দুই জন থাকতে পারবেন। এটাতেও ৬০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন। চারটি তাবু আছে প্রতি তাবুতে ২৮৫০ টাকা দিয়ে চার জন থাকতে পারবেন। যোগাযোগ : ০১৮৬২০১১৮৫২।
রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউজ
এটি সাজেকের একটু আগে রুইলুই পাড়াতে অবস্থিত এবং এখানে ১৫ জনের মত থাকতে পারবেন। ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে দিতে হবে। নিজেরা রান্না করে খেতে পারবেন। এর কেয়ার টেকার মইয়া লুসাই দাদা সব ব্যবস্থা করে দিবে। লক্ষন নামেও একজন আছে, প্রয়োজনে আপনাদের সহযোগীতা করবে। এখানে দুইটি টয়লেট আছে। একটি ফ্রি ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যটির জন্য ২০০ টাকা প্রদান করতে হবে। যোগাযোগ : মইয়া লুসাই – ০১৮৩৮৪৯৭৬১২, ০১৮৭২৪৬৮৯৪২। লক্ষন – ০১৮৬০১০৩৪০২।
*রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউজের তথ্য Nizam Uddin ভাইয়ের নোট থেকে নেওয়া।
*রিসোর্টের ভাড়ায় পরিবর্তন হতে পারে। আপডেটুডেট তথ্যের জন্য যখন যাবেন ফোন করে জেনে নিবেন।
রিসোর্ট বুকিং সংক্রান্ত পরামর্শ
ছুটির দিন/অতিরিক্ত ভীড় হতে পারে এমন দিন ব্যতীত অন্য সময় আগে থেকে রিসোর্ট বুকিং দিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সাজেকে অনেক রিসোর্ট রয়েছে। সেখানে গিয়েই রিসোর্ট বুকিং করতে পারবেন। তবে পরিবার বা বড় গ্রুপ হলে আগে থেকে বুকিং করে যাবেন।
রুম থেকে ভালো ভিউ পাওয়া যায় এমন রিসোর্টে থাকার চেষ্টা করবেন।
এখানে রিসোর্টের যে ভাড়া উল্লেখ করা আছে তা পরিবর্তন হতে পারে তাই যাওয়ার পূর্বে ফোন করে জেনে নিবেন।
খাবার ব্যবস্থা
খাবার খরচ আইটেমভেদে ১৫০-৩০০ টাকার মধ্যে হয়ে যাবে।
খাবার সংক্রান্ত পরামর্শ
সাজেকে খাবার রান্না করা থাকে না। যখনই খাবেন ১-২ ঘন্টা আগে খাবার অর্ডার করে রাখতে হবে। সাজেক যাওয়ার সময় যেখানে থাকবেন তাদের বললে অথবা জীপ ড্রাইভারকে বললে খাবারের ব্যবস্থা করে রাখবে। সাজেকে সবকিছুই পাওয়া যায় তবে দাম একটু বেশি। পানি বা অন্যান্য দরকারী জিনিস তাই দিঘীনালা থেকে কিনে নিতে পারেন।
সাজেকে দেখার যা আছে
রুইলুই পাড়া
মেঘমাচাং, মেঘপুঞ্জি, জুমঘর কটেজ (না থাকলেও গিয়ে দেখতে পারেন)
সাজেক ভ্যালি রিসোর্ট (না থাকলেও গিয়ে দেখতে পারেন)
রুন্ময় রিসোর্ট (না থাকলেও গিয়ে দেখতে পারেন)
স্টোন গার্ডেন (সাজেক ভ্যালি রিসোর্টের পাশে, ২০ টাকা টিকেট)
রুইলুই পাড়া থেকে সাজেক হাঁটাহাঁটি করা (ফুটপাতগুলো অসাধারন)
হেলিপ্যাড-১ থেকে সূর্যাস্ত
হেলিপ্যাড-২ থেকে সূর্যোদয়
হেলিপ্যাড-২ এর পাশের দোলনায় দোল খাওয়া
কংলাক পাড়া (সাজেক থেকে হেঁটে যেতে ৪৫ মিনিট লাগে, ভোর বেলা যাওয়া ভালো)
কংলাক পাড়ার চূড়া থেকে সূর্যোদয় দেখা
ঝাড়ভোজ পিকনিক স্পটে যাওয়া (২০ টাকা টিকেট)
হেলিপ্যাডে বসে রাতের আকাশ উপভোগ করা
খুব ভোরে মেঘের চাদরে ঢাকা পাহাড় দেখা
কমলক ঝর্ণা (হেঁটে যেতে ২-২.৫ ঘন্টা লাগে, রুইলুই পাড়া থেকে গাইড ৩০০-৩৫০ নিবে)
খাগড়াছড়িতে দেখার যা আছে
রিসাং ঝর্ণা
আলুটিলা গুহা
সিস্টেম রেস্তোরা
পর্যটন মোটেল
দিঘীনালাতে দেখার যা আছে
হাজাছড়া ঝর্ণা
ঝুলন্ত ব্রিজ
দিঘীনালা বনবিহার
তৈদুছড়া ঝর্ণা
সিজুক ঝর্ণা
সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ নিয়েকিছু জরুরী পরামর্শ
জীপ দিয়ে যাওয়ার পথে শিশুদের দিকে চকলেট ছুড়ে মারবেন না।
বাঘাইহাট আর্মি ক্যাম্পে ছবি তোলা নিষেধ।
সাজেকে আমরা অতিথি। পাহাড়ীদের সংস্কৃতিতে আঘাত লাগে এমন কিছু করবেন না।
রুইলুই পাড়ার কুয়ায় অবশ্যই গোসল করবেন।
কংলাক পাড়া সবাই উঠতে পারে তবে বৃষ্টি হলে পথ পিচ্ছিল হয়ে থাকে। পাড়ায় উঠার আগে একটা সাবধান বানী আছে সেটা মানবেন।
কমলক ঝর্ণায় যাওয়ার সময় ৮০/৮৫ ডিগ্রি এংগেলের খাড়া পাহাড় আছে। ট্রেকিং এর অভ্যাস না থাকলে যাবেন না।
হাজাছড়া ঝর্ণার উপরে উঠলে বুঝে উঠবেন। এখানে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে।
রিসাং ঝর্ণায় স্লাইড কাটার সময় সাবধান থাকবেন। এখানে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে।
অতি দুঃসাহসিক কিছু করতে গিয়ে গ্রুপের সকলকে বিপদে ফেলবেন না।
সাজেকের বিভিন্ন জায়গায় ময়লা ফেলার ঝুড়ি আছে। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবেন না।
প্রতিবেলা খাবারের আগে থেকে অর্ডার দিতে হবে।
রিসোর্ট, জীপ আগে থেকে ঠিক করে যাওয়া ভালো।
শুধু রবি সিমের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়।
সাজেকে ইলেকট্রিসিটি নাই তবে জেনারেটর/সোলার প্যানেল আছে। কোন রিসোর্ট/কটেজে থাকবেন সেটার উপর নির্ভর করবে জেনারেটর সুবিধা পাবেন কিনা। আমরা প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টার মত জেনারেটর সুবিধা পেয়েছিলাম। আর এছাড়া সোলার সিস্টেম আছে। সেগুলো দিয়ে বাতি জ্বলে। তবে পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে যাওয়াটাই ভালো।
চাঁদের গাড়ির ছাদে যাওয়ার সময় সাবধান থাকবেন। একটু অসাবধানতাও বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
ছেলে বা শুধু মেয়েদের গ্রুপ হোক। সাজেকে নিরাপত্তার কোন সমস্যা নেই।