মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:
টেকনাফে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: ২০ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি গ্রেপ্তারকক্সবাজারে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাব-১৫ এর হাতে গ্রেপ্তারকক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর সাঁড়াশি অভিযান: লবণের ট্রাকে ১ লাখ ইয়াবা ও অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেফতার।রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বছরের পর বছর অকেজো সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, চরম ভোগান্তিতে রোগীরাআসন্ন ঈদে কারখানাগুলোকে আইন মেনে পাওনা পরিশোধের আহবান গাজীপুরের ডিসিরবরেণ্য সাংবাদিক ও গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খানের ইন্তেকালমাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য: পুরস্কৃত হলেন জিএমপির তিন ওসিজামালপুরে কালোবাজারির জন্য রাখা অবৈধভাবে মজুদ করা ভিজিডির ৪৬ বস্তা চাল উদ্ধার৭ বছর পর র‍্যাবের জালে ধরা পড়ল মাদক মামলার পলাতক আসামি ফয়সালসীমান্তে বিজিবির তৎপরতা: ই/য়া/বা/র বড় চালানসহ মা/দ/ক কারবারি গ্রে/ফ/তা/র। ‎উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের গু/লি, যুবক আহতউখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলি, যুবক হাসমত উল্লাহ রক্তাক্তSOC – Shadow of Change-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি সোহান, সম্পাদক লুৎফুর। ‎পালংখালীতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক মিলনমেলা

নিউজ এইট

আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি

অনলাইন ডেস্ক ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি
৯১

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

টেকনাফে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

‎মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া,কক্সবাজার প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
টেকনাফে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোহাম্মদ ইসমাইলকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)।

‎শুক্রবার (১৫ মে) সকাল আনুমানিক ১০:৪০ ঘটিকায় টেকনাফ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর চৌধুরীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ইসমাইল ওই এলাকার মোহাম্মদ রফিকের ছেলে।

‎র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আকবর শাহ থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার ৭(ক) উপধারায় একটি মামলা ছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে ০১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সাজা ঘোষণার পর থেকেই ইসমাইল গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন।

‎র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে উত্তর চৌধুরীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

‎অভিযান পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

‎র‌্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তাদের এমন গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: ২০ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি গ্রেপ্তার

‎মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া, কক্সবাজার প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: ২০ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি গ্রেপ্তার

‎সুদীর্ঘ ২০ বছর ধরে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকা নৃশংস হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মং নু মং-কে (৭১) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫। গত ১৪ মে সন্ধ্যায় বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০০৭ সালে বান্দরবান সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/২০১ ধারায় একটি লোমহর্ষক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামি মং নু মং-কে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ২০১ ধারায় লাশ গুম বা তথ্য গোপনের অপরাধে আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

‎২০০৭ সালে মামলা হওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে মং নু মং সুকৌশলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গত দুই দশক ধরে সে দেশের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিজের পরিচয় গোপন করে আত্মগোপনে ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল সে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে, তবে র‍্যাব-১৫ এর সিপিসি-৩ বান্দরবান ক্যাম্পের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত ছিল।

‎গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান পাড়া নতুন ব্রিজ এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে র‍্যাবের একটি চৌকস দল সেখানে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বৃদ্ধ মং নু মং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

‎গ্রেপ্তারকৃত মং নু মং বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান হেডম্যান পাড়ার মৃত জ্য হ্লা প্রু-এর ছেলে।

‎গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ তাকে সংশ্লিষ্ট বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎র‍্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধী যত শক্তিশালী বা চতুরই হোক না কেন, দীর্ঘ সময় পরেও তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। জননিরাপত্তা রক্ষায় এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে র‍্যাবের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।

কক্সবাজারে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাব-১৫ এর হাতে গ্রেপ্তার

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া, কক্সবাজার প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাব-১৫ এর হাতে গ্রেপ্তার

‎মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি আব্দুল মাজেদকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫। গত ১৪ মে রাতে কক্সবাজারের রামু থানাধীন পূর্ব ওমখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মাজেদ রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের গনি সওদাগর পাড়ার মৃত গোলাম সোবহানের ছেলে।

‎২০২০ সালে চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১০(ক) ধারায় আব্দুল মাজেদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেন এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সাজা ঘোষণার পর থেকেই মাজেদ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে আসছিল।

‎র‍্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, মাজেদ রামুর পূর্ব ওমখালী এলাকায় অবস্থান করছে। গত ১৪ মে রাত আনুমানিক ৮:১০ ঘটিকায় র‍্যাবের আভিযানিক দলটি সেখানে বিশেষ অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ঘেরাও দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বাহিনীটি।

‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মাজেদ নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎র‍্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।