বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:
পেকুয়ায় ২টি বন্দুক ও গোলাবারুদসহ পেশাদার অস্ত্রধারী গ্রেফতারসিএনজির ইঞ্জিন বক্সে ২৩ হাজার ই/য়া/বা! টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর জালে চালক। ‎টেকনাফে ১০ বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টা: র‌্যাব-১৫ কর্তৃক আসামী গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধারকক্সবাজারে র‌্যাবের সফল অভিযান: বিপুল পরিমাণ ই/য়া/বা, হে/রো/ই/ন ও আ/ই/স/সহ শীর্ষ মা/দ/ক কারবারি আজিজ গ্রে/ফ/তা/র ‎উখিয়ায় ‘শ্যাডো অব চেঞ্জ’-এর ব্যতিক্রমী রম্য বিতর্ক: জয়ী মাংসের রাজত্ব, রানার্সআপ ডাল-ভাত ও সালাদ‎টেকনাফে র‌্যাবের চিরুনি অভিযান: ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার৭ দিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি শুরুজিএমপি সদর থানা পুলিশের অভিযানে ০২ টি বিদেশি পিস্তল ০৭ রাউন্ড গুলি ও ২ টি প্রাইভেট কারসহ গ্রেফতার -০১বিএসএফের হাতে আটক বাংলাদেশি যুবককে বিজিবির কাছে হস্তান্তরব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনীর ওপর প্রশাসনের সাময়িক নিষেধাজ্ঞাবেহেশতের টিকিট বিক্রির নামে অপশক্তির তৎপরতা রুখে দিনঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানশহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকালতারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনা করলেন মোদিফ্রিজভর্তি কুরবানির গোশত বনাম প্রতিবেশীর শূন্য থালা: আমাদের ইবাদত কতটা খাঁটি?

সিএনজির ইঞ্জিন বক্সে ২৩ হাজার ই/য়া/বা! টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর জালে চালক। ‎

‎মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া প্রতিনিধি কক্সবাজার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
সিএনজির ইঞ্জিন বক্সে ২৩ হাজার ই/য়া/বা! টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর জালে চালক। ‎
৫৭

কক্সবাজারের টেকনাফে সিএনজি অটোরিকশার ইঞ্জিন বক্সে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে পাচারের সময় ২৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ সৈয়দ আলম (৪৮) নামে এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫।

‎মঙ্গলবার (০২ জুন ২০২৬) বিকেলে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বড়ইতলী এলাকায় র‌্যাব ক্যাম্পের সামনের সড়কে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত সৈয়দ আলম টেকনাফ থানার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ০৯নং ওয়ার্ডের জাদিমুরা (কোনাপাড়া স্টেশন গলি) এলাকার মৃত আলী আহম্মদের ছেলে।

‎র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সূত্রে খবর পায় যে, এক মাদক কারবারি ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে সিএনজি অটোরিকশা যোগে বরইতলী হয়ে টেকনাফ সদরের দিকে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল আনুমানিক ৩:৪৫ মিনিটে টেকনাফ র‌্যাব ক্যাম্পের সামনের পাকা রাস্তার ওপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।

‎বিকেল ৪:১০ মিনিটের দিকে জাদিমুরার দিক থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে সংকেত দিয়ে থামায় র‌্যাব। এ সময় চালক সৈয়দ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে তার কাছে মাদক থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সামনে আসামির দেখানো মতে সিএনজির পিছনের ইঞ্জিন বক্সের ভেতর থেকে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২৩,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

‎অভিযানে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশা এবং আসামির কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

‎র‌্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট নির্মূল এবং চোরাচালান রোধে সরকারের ‘শূণ্য সহনশীলতা’ (Zero Tolerance) নীতি বাস্তবায়নে র‌্যাবের এই ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

পেকুয়ায় ২টি বন্দুক ও গোলাবারুদসহ পেশাদার অস্ত্রধারী গ্রেফতার

‎মোঃ হারুন অর রশিদ (কক্সবাজার) প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় ২টি বন্দুক ও গোলাবারুদসহ পেশাদার অস্ত্রধারী গ্রেফতার

কক্সবাজারের পেকুয়ায় অভিযান চালিয়ে দুটি দেশীয় তৈরি ব্যারেল সংযুক্ত একনালা বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ আহম্মদ নুর নামের এক পেশাদার অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫।

‎আজ বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে পেকুয়া থানাধীন শিলখালী গ্রামস্থ কাছেমুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা মসজিদ সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আহম্মদ নুর পেকুয়া উপজেলার ৬নং ওয়ার্ডের সরকারি ঘোনা এলাকার মৃত আব্দুল হকের ছেলে।

‎র‌্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল জানতে পারে যে, শিলখালী এলাকার ওই স্থানে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। অভিযান চলাকালীন র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে অস্ত্রধারী আহম্মদ নুরকে আটক করা হয়।

‎পরবর্তীতে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সামনে তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ০২টি দেশীয় তৈরি ব্যারেল সংযুক্ত একনালা বন্দুক, ০২টি তাজা কার্তুজ, ০২টি ব্যবহৃত কার্তুজের খোসা এবং ০৫ রাউন্ড পিস্তলের তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

‎ গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাকে পেকুয়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধ ও অপরাধীদের দমনে র‌্যাবের এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

টেকনাফে ১০ বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টা: র‌্যাব-১৫ কর্তৃক আসামী গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধার

মোঃ হারুন অর রশিদ - উখিয়া, কক্সবাজার। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
টেকনাফে ১০ বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টা: র‌্যাব-১৫ কর্তৃক আসামী গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধার

‎কক্সবাজারের টেকনাফে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্যকর মামলার একমাত্র আসামী হাবিবুর রহমান (৫৩)-কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)। একই অভিযানে ভিকটিম শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

‎গতকাল ১ জুন (সোমবার) দুপুর আড়াইটার দিকে টেকনাফ মডেল থানাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের ০৭ নম্বর ওয়ার্ডের রঙ্গীখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎র‌্যাব সূত্র জানায়, ১ জুন দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালী সাকিনের মাহমুদ আলী ফকিরের বাড়ির সামনের রাস্তায় ১০ বছর বয়সী ওই শিশুকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায় হাবিবুর রহমান।

‎ঘটনার সময় র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি নিয়মিত টহল দল হ্নীলা বাজার এলাকায় ডিউটি করছিল। স্থানীয় জনগণের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন যে, রঙ্গীখালী এলাকায় শিশু ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় উত্তেজিত জনতা এক ব্যক্তিকে আটকে গণপিটুনি দিচ্ছে। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই র‌্যাবের চৌকস আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে আসামীকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং ভিকটিম শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আসামী হাবিবুর রহমান (৫৩) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন হ্নীলা ইউপির দরগাপাড়া (০৫ নম্বর ওয়ার্ড) গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে। সে বর্তমানে একই ইউনিয়নের উলুচামারী আশ্রয়কেন্দ্রের (০৬ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।

‎ধৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ন্যাক্কারজনক ও আমলযোগ্য অপরাধের প্রেক্ষিতে আসামীর বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

‎র‌্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাবের এই ধরণের কঠোর ও জোরালো অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কক্সবাজারে র‌্যাবের সফল অভিযান: বিপুল পরিমাণ ই/য়া/বা, হে/রো/ই/ন ও আ/ই/স/সহ শীর্ষ মা/দ/ক কারবারি আজিজ গ্রে/ফ/তা/র ‎

‎মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া, কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে র‌্যাবের সফল অভিযান: বিপুল পরিমাণ ই/য়া/বা, হে/রো/ই/ন ও আ/ই/স/সহ শীর্ষ মা/দ/ক কারবারি আজিজ গ্রে/ফ/তা/র ‎

কক্সবাজারে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-১৫) একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, হেরোইন ও ক্রিস্টাল আইসসহ মোহাম্মদ আজিজ (২৬) নামের এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আজিজ দেশের বিভিন্ন জেলায় রুজু হওয়া একাধিক মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং একটি আন্তঃজেলা মাদক চোরাচালান চক্রের অন্যতম হোতা।

‎মঙ্গলবার (০২ জুন ২০২৬) ভোর রাত আনুমানিক ০৪:৩০ ঘটিকায় কক্সবাজার সদর থানাধীন উত্তর ডিককুল এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।

‎র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে যে উত্তর ডিককুল এলাকার একটি মাদক সিন্ডিকেট বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান হাতবদলের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এই তথ্যের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে র‌্যাব-১৫-এর ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকার আলী আহম্মদের টিনশেড বাড়িতে আকস্মিক অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মোহাম্মদ আজিজকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ঘেরাও করে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

‎গ্রেফতারকৃত আজিজ উত্তর ডিককুল এলাকার মৃত আলী আহাম্মদের ছেলে।

‎গ্রেফতারের পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আজিজের ঘর ও তার দেহ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ উচ্চমূল্যের অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে:

‎ইয়াবা ট্যাবলেট ৯,৮০০ (নয় হাজার আটশত) পিস।১৮০ (একশত আশি) গ্রাম। ৪৮ (আটচল্লিশ) গ্রাম। মাদক চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত ১টি স্মার্টফোন।

‎র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মোহাম্মদ আজিজ একজন চিহ্নিত ও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিস্তৃত একটি শক্তিশালী মাদক নেটওয়ার্কের সক্রিয় সদস্য। এর আগেও সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটনের যাত্রাবাড়ী থানা, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এবং ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায় মোট ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।

মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে র‌্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উদ্ধারকৃত মাদক ও আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের অর্থায়ন, রুট এবং এর পেছনের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে র‌্যাবের এই আপসহীন ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।