সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:
বরমী-ঢাকা সরাসরি বাস চালুর দাবি জানালেন চিত্রনায়ক যুবরাজমিশরকে স্তব্ধ করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনাজিএমপির পৃথক অভিযানে ০৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার প্রতারক চক্রের সক্রিয়-০১ সদস্য গ্রেফতারঘোড়াঘাটে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুই শিক্ষিকাকে হয়রানির অভিযোগধুনটে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের এলডিডিপি প্রকল্পের কর্মকর্তাদের বিদায় সংবর্ধনাগাজীপুরে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে সমাজ বদলের স্বপ্নসাভারে ট্রাফিক পুলিশের ‘পকেট ভারী’, পাকিজা মোড়ে সাধারণ মানুষের ‘গলার কাঁটা’ তীব্র যানজটহিলিতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনমিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা: উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৯০ বস্তা সার ও ৮০ লিটার তেল উদ্ধারউখিয়ায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা আসামি আইয়ুব আলী গ্রেপ্তার!‎উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য সচিব, মডেল হাসপাতালে রূপান্তরের প্রত্যয়আশুলিয়ায় ইউপি সচিব আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সাভারে অবৈধভাবে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা উৎপাদন: হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য ও কৃষিজমিগাজীপুরে অসহায় দুঃস্হ ও সুবিধাবঞ্চিত ৩৫০ জনকে এাণ সামগ্রী বিতরনগাজীপুরে হঠাৎ করে স্হায়ীভাবে বন্ধ ঘোষনা- ২ কারখানা দিশেহারা প্রায় ১৮ শত শ্রমিক

পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে উখিয়ায় ওষুধ প্রতিনিধিদের বিশাল মানববন্ধন

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া (কক্সবাজার) প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
পেশার মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে উখিয়ায় ওষুধ প্রতিনিধিদের বিশাল মানববন্ধন
২০৩

সারাদেশে একযোগে ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উখিয়ার পালংখালীতে পেশার মর্যাদা রক্ষা এবং ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে, ২০২৬) সকালে পালংখালী মডেল ফারিয়া (বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন)-এর উদ্যোগে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে পালংখালী ও উখিয়া এলাকার বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাদের দাবি, দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেও তারা প্রাপ্য মর্যাদা এবং কাজের পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

মানববন্ধন ও সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা তাদের ন্যায্য দাবির সপক্ষে অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত ও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। তারা ওষুধ প্রতিনিধিদের চাকুরির জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ওষুধ কোম্পানিগুলোর প্রতি জোর দাবি জানান। বক্তারা বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও তাদের পেশার সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বা কোনো নীতিমালা নেই, যা তাদের চরম বৈষম্যের শিকার করছে। তারা একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও চাকুরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

পালংখালী মডেল ফারিয়ার সাধারণ সম্পাদক তার বক্তব্যে বলেন: “আমরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষের দোরগোড়ায় জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পৌঁছে দেই। অথচ আমাদের পেশার কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বা সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। আমরা আজ রাজপথে নেমেছি আমাদের হারানো মর্যাদা ফিরে পেতে এবং একটি বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে। চাকুরির নিরাপত্তা ছাড়া আমরা কাজ করতে পারি না।”

সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক তার বক্তব্যে বলেন: “বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে একজন ওষুধ প্রতিনিধিকে নামমাত্র বেতনে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বর্তমান বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ আমাদের জন্য অপরিহার্য। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মুছা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন: “কর্মক্ষেত্রে আমরা প্রায়শই নানা হয়রানির শিকার হই। আমাদের জন্য কোনো নির্ধারিত কর্মঘণ্টা নেই। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করি, তাই আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ পাওয়া আমাদের অধিকার।” সমাবেশ শেষে একটি প্রতিনিধি দল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেন।

উখিয়ার পালংখালীতে ওষুধ প্রতিনিধিদের এই বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশ তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও দাবিগুলো সামনে নিয়ে এসেছে। একটি রাষ্ট্রের জন্য ওষুধ প্রতিনিধিদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত অপরিহার্য। কর্তৃপক্ষ এই দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

বরমী-ঢাকা সরাসরি বাস চালুর দাবি জানালেন চিত্রনায়ক যুবরাজ

মোঃ সোহেল মিয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বরমী-ঢাকা সরাসরি বাস চালুর দাবি জানালেন চিত্রনায়ক যুবরাজ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়ন থেকে ঢাকার সরাসরি বাস যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মাহফুজুর রহমান যুবরাজ খান। সম্প্রতি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে শ্রীপুর ও গাজীপুরবাসীসহ স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরেন।

​ফেসবুক পোস্টে যুবরাজ বরমী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে লেখেন, শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়ন ব্যাপারি বাস স্ট্যান্ড থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর আগে ‘প্রভাতী বনশ্রী পরিবহন’ সহ অন্যান্য বাস সরাসরি বরমী থেকে ঢাকায় যাতায়াত করত, যা স্থানীয় যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। কিন্তু বর্তমানে বরমী থেকে সরাসরি ঢাকায় যাতায়াতের কোনো পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

​তিনি উল্লেখ করেন, বরমী ইউনিয়ন ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে অনেকেই এই সমস্যার কথা তার কাছে তুলে ধরেছেন। জনগণের এই প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করেই তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই পোস্টটি করেছেন।


পোস্টে যুবরাজ আরও যোগ করেন, বরমী থেকে ঢাকার সরাসরি বাস সার্ভিস চালু হলে এলাকার অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা, ব্যবসায়ীদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা অনেক সহজ হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে। জনগণের এই চাওয়াকে অত্যন্ত যৌক্তিক মনে করেই তিনি বিষয়টি সবার সাথে শেয়ার করেছেন।

​সবশেষে তিনি বিনয়ের সাথে বলেন, “আমি ছোটখাটো সাধারণ মানুষ। রাষ্ট্রকে ভালোবাসি, রাষ্ট্রের উন্নয়ন চাই, জনগণের দোয়া এবং ভালোবাসা চাই।” একই সাথে তিনি স্থানীয় সাংবাদিক ও পরিবহন সেক্টরের সাথে জড়িত সবার প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন।

​জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে একজন তারকার এমন আন্তরিক ও দায়িত্বশীল পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

মৃত্যুকূপ থেকে মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তন

মিশরকে স্তব্ধ করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক, বাংলা নিউজ টিভি প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
মিশরকে স্তব্ধ করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ফুটবল বিধাতা বোধহয় আর্জেন্টিনার ভাগ্যে চরম উত্তেজনার কথাই লিখে রেখেছেন। গোল হজম, পেনাল্টি মিস, একের পর এক সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া আর ম্যাচের ৬৭ মিনিটে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া; সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ বা নকআউট পর্ব থেকেই বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় তখন স্রেফ সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। কিন্তু আলবিসেলেস্তেরা যে সহজে দমে যাওয়ার পাত্র নয়, তা আরও একবার বিশ্বমঞ্চে প্রমাণিত হলো। মৃত্যুকূপের কিনারা থেকে অবিশ্বাস্যভাবে ফিরে এসে মাত্র ১৩ মিনিটের এক বিধ্বংসী টর্নেডো ঝড়ে মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তনের এক নতুন গল্প লিখল আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় মিশরকে ৩-২ গোলে স্তব্ধ করে দিয়ে অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

চলতি বিশ্বকাপে এই প্রথম প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচের ১৫ মিনিটে কর্নার থেকে মারওয়ান আতিয়ার মাপা ক্রসে ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেডে মিশরের ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম বল জালে জড়ালে ১-০ তে পিছিয়ে পড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ধাক্কা সামলে ২১ মিনিটেই সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় লিওনেল স্কালোনির দল। মিশরের বক্সে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু অধিনায়ক লিওনেল মেসির নেওয়া দুর্বল গতির বাঁ পায়ের শটটি ডানদিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন মিশরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। এই মিসের পর বিশ্বকাপে নেওয়া ৮টি পেনাল্টীর ৪টিই হাতছাড়া করার এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। চলতি আসরে এটি তাঁর দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। অন্যদিকে ইরানের মেহদি তারেমির পর মেসির পেনাল্টি আটকে দিয়ে টুর্নামেন্টে নিজের দ্বিতীয় সেভের দেখা পান মোস্তফা। এরপর ২৮ মিনিটে রদ্রিগো দে পলের ক্রসে মাক আলিস্তারের হেড এবং ৩৯ মিনিটে তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে হুলিয়ান আলভারেজের জোরালো শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ফিরিয়ে দিয়ে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার সামনে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন মোস্তফা শোবেইর।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মিশরের ৯ জন খেলোয়াড় রক্ষণভাগে শক্ত দেয়াল তুলে দাঁড়ালে মেসি কিছুটা জায়গা তৈরি করে দে পলকে বল বাড়িয়েছিলেন। কিন্তু ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া দে পলের নিচু শটটি সহজেই গ্লাভসবন্দী করেন মোস্তফা। উল্টো ৫৮ মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর পাস আর হাসানের চমৎকার দৌড় থেকে আসা জিকোর এক চোখধাঁধানো কাউন্টার অ্যাটাক ফিনিশিংয়ে উল্লাসে মেতেছিল মিশর। তবে আক্রমণের শুরুতে ফাউল থাকায় ভিএআরের (VAR) সাহায্যে গোলটি বাতিল করে আর্জেন্টিনাকে ফ্রি-কিক দেন রেফারি। কিন্তু গোল বাতিলের সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ টেকেনি। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে আর কোনো ভুল করেনি ফারাওরা। পাল্টা আক্রমণ থেকে হাসানের বাড়ানো নিখুঁত পাস ধরে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে আবারও বল জালে জড়ান জিকো। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে তখন খাদের কিনারায় ছিটকে যায় আর্জেন্টিনা।

দুই গোল হজম করার পর যেন খ্যাপাটে বাঘের মতো জেগে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর মহাকাব্য শুরু হয়। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়া ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ডান দিক থেকে বাড়ানো মেসির চমৎকার ক্রসে এক দুর্দান্ত হেডে ব্যবধান ২-১ করেন। মিশরীয় গোলরক্ষক হাত ছোঁয়ালেও বলের গতি রোধ করতে পারেননি। মিশর ডিফেন্ডাররা অফসাইডের দাবি তুললেও রেফারি তা নাকচ করে দেন। ঠিক ৪ মিনিট পর, ম্যাচের ৮৪ মিনিটে পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে মাতান মহাতারকা লিওনেল মেসি। জোরালো এক শটে গোলরক্ষকের গায়ে লেগে বল বারের নিচের অংশ ছুঁয়ে জালে জড়ালে ২-২ সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। চলতি বিশ্বকাপে এটি মেসির ৮ম গোল এবং এর মাধ্যমে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অতিমানবীয় কৃতিত্ব অর্জন করলেন এলএমটেন।

তবে নাটকের শেষ অঙ্ক তখনো বাকি ছিল। ম্যাচের যোগ করা সময়ে অর্থাৎ ৯২ মিনিটে আর্জেন্টিনার এক গতিময় পাল্টা আক্রমণ থেকে বক্সের মাঝখানে বল পান এনজো ফার্নান্দেজ। বদলি হিসেবে মাঠে নামা লাউতারো মার্তিনেজের নিখুঁত অ্যাসিস্টে চমৎকার এক হেডে মিশরের জাল কাঁপিয়ে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এনজো ফার্নান্দেজ। মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে ৩টি গোল হজম করে ততক্ষণে ম্যাচ থেকে সম্পূর্ণ ছিটকে গেছে মিশর। শেষ পর্যন্ত এই অবিশ্বাস্য ও অবিস্মরণীয় জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার এই জয়টি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রত্যাবর্তন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও মেসি ও এনজোদের লড়াকু মানসিকতা প্রমাণ করে কেন তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। এই রোমাঞ্চকর জয়ের পর কোয়ার্টার ফাইনালে আলবিসেলেস্তেদের আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে গেল।

জিএমপির পৃথক অভিযানে ০৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার প্রতারক চক্রের সক্রিয়-০১ সদস্য গ্রেফতার

রাজু হাসান :স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
জিএমপির পৃথক অভিযানে ০৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার প্রতারক চক্রের সক্রিয়-০১ সদস্য গ্রেফতার

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ ইসরাইল হাওলাদার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে জিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনা-১: মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগের বিশেষ অভিযানে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহানগরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৩টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জাল নম্বরপ্লেট, ভুয়া রেজিস্ট্রেশন, পুলিশ ও বিআরটিএর জাল সিল-স্টিকার, আইডি কার্ডসহ প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজু করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘটনা-২: মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা বদলি ও ঋণ প্রদানকারী প্রতারক চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চক্রটি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও সহজ শর্তে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। অভিযানে বিভিন্ন ব্যাংকের স্বাক্ষরযুক্ত চেক, স্ট্যাম্প, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গাজীপুর মহানগরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।