উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবাসহ মা-মেয়ে আটক: নেপথ্যে নারী চোরাকারবারী চক্র!
সীমান্তে মাদকপাচারের নিত্যনতুন কৌশলের অংশ হিসেবে এবার নারী সদস্যদের ব্যবহার করছে পাচারকারী চক্র। কক্সবাজারের উখিয়ায় বোরকার ভেতর লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের সময় মা ও মেয়েসহ দুই নারী চোরাকারবারীকে আটক করেছে বোরডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা হয়েছে আনুমানিক ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস ইয়াবা।
শুক্রবার (১৫ মে) উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীনস্থ পালংখালী বিওপির একটি টহল দল উলুবনিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিয়মিত তদারকি চালাচ্ছিল। এ সময় নাফ নদীর বেড়িবাঁধ এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দুই নারীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। পরবর্তীতে বিজিবির নারী সদস্যরা তাদের দেহ তল্লাশি করে বোরকার ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন।
আটক দুই নারী সম্পর্কে মা ও মেয়ে। তারা হলেন: রাশেদা বেগম (৪৯) স্বামী- মো. আয়ুব,সুমাইয়া (২০):পিতা- মো. আয়ুব। উভয়ই উলুবনিয়া, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন, টেকনাফে বসবাস করেন।
বিজিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছেন যে তারা দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের অভ্যন্তরে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিলেন। উদ্ধারকৃত মাদকসহ তাদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
“বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সব সময় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদকের এই মরণনেশা থেকে সমাজকে বাঁচাতে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।” লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, অধিনায়ক, উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।
রামু সেক্টরের অধীনস্থ এই ব্যাটালিয়নটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে আসছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সীমান্তে মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবির এ ধরনের কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।









