কক্সবাজারে র্যাবের সফল অভিযান: বিপুল পরিমাণ ই/য়া/বা, হে/রো/ই/ন ও আ/ই/স/সহ শীর্ষ মা/দ/ক কারবারি আজিজ গ্রে/ফ/তা/র
কক্সবাজারে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-১৫) একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, হেরোইন ও ক্রিস্টাল আইসসহ মোহাম্মদ আজিজ (২৬) নামের এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আজিজ দেশের বিভিন্ন জেলায় রুজু হওয়া একাধিক মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং একটি আন্তঃজেলা মাদক চোরাচালান চক্রের অন্যতম হোতা।
মঙ্গলবার (০২ জুন ২০২৬) ভোর রাত আনুমানিক ০৪:৩০ ঘটিকায় কক্সবাজার সদর থানাধীন উত্তর ডিককুল এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে যে উত্তর ডিককুল এলাকার একটি মাদক সিন্ডিকেট বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান হাতবদলের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এই তথ্যের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে র্যাব-১৫-এর ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকার আলী আহম্মদের টিনশেড বাড়িতে আকস্মিক অভিযান চালায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মোহাম্মদ আজিজকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ঘেরাও করে গ্রেফতার করে র্যাব।
গ্রেফতারকৃত আজিজ উত্তর ডিককুল এলাকার মৃত আলী আহাম্মদের ছেলে।
গ্রেফতারের পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আজিজের ঘর ও তার দেহ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ উচ্চমূল্যের অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে:
ইয়াবা ট্যাবলেট ৯,৮০০ (নয় হাজার আটশত) পিস।১৮০ (একশত আশি) গ্রাম। ৪৮ (আটচল্লিশ) গ্রাম। মাদক চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত ১টি স্মার্টফোন।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মোহাম্মদ আজিজ একজন চিহ্নিত ও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিস্তৃত একটি শক্তিশালী মাদক নেটওয়ার্কের সক্রিয় সদস্য। এর আগেও সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটনের যাত্রাবাড়ী থানা, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এবং ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায় মোট ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে র্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উদ্ধারকৃত মাদক ও আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের অর্থায়ন, রুট এবং এর পেছনের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে র্যাবের এই আপসহীন ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।





